টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: মুশফিকুর থেকে মিরাজ (অক্টোবর ২০২৬)
ক্রিকেট

টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: মুশফিকুর থেকে মিরাজ (অক্টোবর ২০২৬)

26 অক্টো., 2026 1 মিনিট পড়ার সময় Notout Team

বাংলাদেশের টেস্টে সর্বোচ্চ রান কার, এই প্রশ্নের উত্তর মুশফিকুর রহিম। ২৬ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ESPNcricinfo রেকর্ড অনুযায়ী তিনি ১০৬ টেস্টে ৬,৯৫৭ রান করেছেন, গড় ৩৯.০৮ আর সেঞ্চুরি ১৪টি। দ্বিতীয় স্থানে মুমিনুল হক (৫,২৬৫), তৃতীয় তামিম ইকবাল (৫,১৩৪)। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসও মুশফিকুরের, অপরাজিত ২১৯।

২০০০ সালের নভেম্বরে ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে অভিষেকের পর থেকে বাংলাদেশ দেড় শতাধিক টেস্ট খেলেছে। এই সময়ে কারা সবচেয়ে বেশি রান তুলেছেন, কার গড় ভালো, কে বেশি সেঞ্চুরি করেছেন, তা এক জায়গায় পাওয়া কঠিন, কারণ অনেক বাংলা পাতার তালিকা কয়েক বছর পুরোনো। এই লেখায় সেরা ১০ জনের হালনাগাদ তালিকা, টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস আর দলীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ একসঙ্গে দেওয়া হলো। টেস্ট নেতৃত্বের ইতিহাস জানতে চাইলে আমাদের বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়কদের তালিকা দেখতে পারেন।

বাংলাদেশের টেস্টে সর্বোচ্চ রান কার: সেরা ১০ ব্যাটসম্যানের তালিকা

নিচের সংখ্যাগুলো ESPNcricinfo-র বাংলাদেশ টেস্ট মোস্ট রানস রেকর্ড পাতা থেকে নেওয়া। এতে অক্টোবর ২০২৬-এর আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট (৯-১৩ অক্টোবর) পর্যন্ত সব ম্যাচ ধরা আছে। ডেটা ২৬ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত।

ক্রমব্যাটসম্যানসময়কালম্যাচইনিংসরানগড়১০০সর্বোচ্চ
১মুশফিকুর রহিম২০০৫-২০২৬১০৬১৯৫৬,৯৫৭৩৯.০৮১৪২১৯*
২মুমিনুল হক২০১৩-২০২৬৮১১৫১৫,২৬৫৩৭.৬০১৩১৮১
৩তামিম ইকবাল২০০৮-২০২৩৭০১৩৪৫,১৩৪৩৮.৮৯১০২০৬
৪সাকিব আল হাসান২০০৭-২০২৪৭১১৩০৪,৬০৯৩৭.৭৭৫২১৭
৫লিটন দাস২০১৫-২০২৬৫৭৯৯৩,৫১১৩৬.১৯৭১৪১
৬হাবিবুল বাশার২০০০-২০০৮৫০৯৯৩,০২৬৩০.৮৭৩১১৩
৭মাহমুদউল্লাহ২০০৯-২০২১৫০৯৪২,৯১৪৩৩.৪৯৫১৫০*
৮নাজমুল হোসেন শান্ত২০১৭-২০২৬৪৫৮৪২,৮০৫৩৪.২০৯১৬৩
৯মোহাম্মদ আশরাফুল২০০১-২০১৩৬১১১৯২,৭৩৭২৪.০০৬১৯০
১০মেহেদী হাসান মিরাজ২০১৬-২০২৬৬১১০৯২,৩৮৪২৪.৩২২১০৪
* অপরাজিত। সূত্র: ESPNcricinfo, ডেটা ২৬ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত।

তালিকার পাঁচজন এখনও টেস্ট খেলছেন: মুশফিকুর, মুমিনুল, লিটন, শান্ত ও মিরাজ। তাই আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর সংখ্যাগুলো বদলাবে, বিশেষ করে মুশফিকুরের ৭,০০০ রানের মাইলফলক এখন মাত্র ৪৩ রান দূরে।

শীর্ষ তিনজন: মুশফিকুর, মুমিনুল ও তামিম

মুশফিকুর রহিম: সবচেয়ে বেশি রান, সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি

২০০৫ সালে লর্ডসে অভিষেক হওয়া মুশফিকুর রহিম এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ টেস্ট ক্রিকেটার। ১০৬ ম্যাচে ৬,৯৫৭ রানের পাশাপাশি তার ১৪টি সেঞ্চুরিও দেশের রেকর্ড। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি আছে একমাত্র তারই: ২০১৩ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০০, ২০১৮ সালে মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অপরাজিত ২১৯ এবং ২০২০ সালে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে অপরাজিত ২০৩। উইকেটকিপার হিসেবেও দীর্ঘ সময় খেলেছেন, পরে বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে পাঁচ নম্বরে থিতু হন।

মুমিনুল হক: তামিমকে ছাড়িয়ে দুই নম্বরে

বাঁহাতি মুমিনুল হক ১৩ আগস্ট ২০২৬-এ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে তামিম ইকবালের ৫,১৩৪ রান পেরিয়ে যান। ১৩টি সেঞ্চুরি নিয়ে সেঞ্চুরির তালিকাতেও তিনি মুশফিকুরের ঠিক পেছনে। লাল বলে মুমিনুলের সাফল্যের বড় অংশ এসেছে দেশের মাঠে, বিশেষ করে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। উইকেটের ধরন কীভাবে ব্যাটিংয়ে প্রভাব ফেলে, তা আমাদের ক্রিকেট পিচের ধরন নিয়ে লেখায় বিস্তারিত আছে।

তামিম ইকবাল: ওপেনারদের মধ্যে সেরা

তামিম ইকবাল ২০০৮ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ৭০ টেস্টে ৫,১৩৪ রান করেছেন, গড় ৩৮.৮৯। ২০১৫ সালে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে তার ২০৬ রান এবং ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ৩১২ রানের উদ্বোধনী জুটি এখনও বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের উজ্জ্বল অধ্যায়। শীর্ষ পাঁচে তার স্ট্রাইক রেট (প্রায় ৫৮) সাকিবের পর দ্বিতীয়।

চার থেকে দশ: সাকিব থেকে মিরাজ

সাকিব আল হাসান ৭১ টেস্টে ৪,৬০৯ রান ও ২৪৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা টেস্ট অলরাউন্ডার। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার ২১৭ রান দীর্ঘদিন দেশের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল। সেই ম্যাচে মুশফিকুরের সঙ্গে তার ৩৫৯ রানের জুটি এখনও বাংলাদেশের যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ।

লিটন দাস ৫৭ টেস্টে ৩,৫১১ রান করে পঞ্চম স্থানে, গড় ৩৬.১৯। সাত নম্বরে নেমে চাপের মধ্যে ইনিংস গড়ার ক্ষমতা তাকে আলাদা করেছে। হাবিবুল বাশার (৩,০২৬) বাংলাদেশের প্রথম যুগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান, তিন নম্বরে তার ২৪টি হাফ সেঞ্চুরি সেই সময়ের দুর্বল দলে বড় ভরসা ছিল।

মাহমুদউল্লাহ (২,৯১৪) ২০২১ সালে হারারেতে অপরাজিত ১৫০ রানের ইনিংস খেলে টেস্টকে বিদায় জানান। নাজমুল হোসেন শান্ত মাত্র ৪৫ টেস্টে ২,৮০৫ রান ও ৯টি সেঞ্চুরি করেছেন, সেঞ্চুরির হারে তিনি শীর্ষ দশে অন্যতম দ্রুত। মোহাম্মদ আশরাফুল ১৭ বছর বয়সে কলম্বোতে সেঞ্চুরি করে টেস্টের সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান হন, আর মেহেদী হাসান মিরাজ অলরাউন্ডার হিসেবে ২,৩৮৪ রান করে দশে ঢুকেছেন।

মিরাজ ও সাকিবের মতো ব্যাট-বলের দুই ভূমিকা টেস্টে কেন গুরুত্বপূর্ণ, তা বুঝতে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির পার্থক্য নিয়ে নতুনদের জন্য লেখা কাজে আসবে। বোলিংয়ের দিক থেকে বাংলাদেশের ইতিহাস দেখতে চাইলে পড়ুন বাংলাদেশের টেস্ট হ্যাটট্রিকের তালিকা।

টেস্টে বাংলাদেশের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস কোনটি?

টেস্টে বাংলাদেশের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোর মুশফিকুর রহিমের অপরাজিত ২১৯। নভেম্বর ২০১৮-তে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনি এই ইনিংস খেলেন। দ্বিতীয় সাকিবের ২১৭ (ওয়েলিংটন, ২০১৭), তৃতীয় তামিমের ২০৬ (খুলনা, ২০১৫)। রেকর্ডের ধারাবাহিকতা দেখলে বোঝা যায়, ২০০০ সালে আমিনুল ইসলামের অভিষেক টেস্টের ১৪৫ রান থেকে শুরু করে রেকর্ডটি ধাপে ধাপে মুশফিকুরের হাতে এসেছে।

  • ২১৯* মুশফিকুর রহিম বনাম জিম্বাবুয়ে, মিরপুর, ২০১৮
  • ২১৭ সাকিব আল হাসান বনাম নিউজিল্যান্ড, ওয়েলিংটন, ২০১৭
  • ২০৬ তামিম ইকবাল বনাম পাকিস্তান, খুলনা, ২০১৫
  • ২০৩* মুশফিকুর রহিম বনাম জিম্বাবুয়ে, মিরপুর, ২০২০
  • ২০০ মুশফিকুর রহিম বনাম শ্রীলঙ্কা, গল, ২০১৩

সাম্প্রতিক বড় ইনিংসের মধ্যে আছে নভেম্বর ২০২৫-এ সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাহমুদুল হাসান জয়ের ১৭১, যা এই তালিকার বাইরে হলেও তরুণ ওপেনারদের সম্ভাবনা দেখায়। বিদেশ সফরে প্রস্তুতি ম্যাচ ও স্কোয়াড রোটেশন কীভাবে ব্যাটসম্যানদের ফর্মে রাখে, তা নিয়ে আছে ক্রিকেট সফরের পেছনের প্রস্তুতি নিয়ে লেখা।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান কত (দলীয়)?

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান কত, এর উত্তর ৬৩৮। মার্চ ২০১৩-তে গল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৯৬ ওভার ব্যাট করে এই সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ, ম্যাচটি ড্র হয়। সেই ইনিংসেই মুশফিকুর ২০০ ও আশরাফুল ১৯০ রান করেন। ESPNcricinfo-র দলীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহের তালিকা অনুযায়ী শীর্ষ পাঁচ:

সংগ্রহপ্রতিপক্ষভেন্যুসালফল
৬৩৮শ্রীলঙ্কাগল২০১৩ড্র
৫৯৫/৮ ডি.নিউজিল্যান্ডওয়েলিংটন২০১৭হার
৫৮৭/৮ ডি.আয়ারল্যান্ডসিলেট২০২৫জয়
৫৬৫পাকিস্তানরাওয়ালপিন্ডি২০২৪জয়
৫৬০/৬ ডি.জিম্বাবুয়েমিরপুর২০২০জয়
ডি. = ইনিংস ঘোষণা। সূত্র: ESPNcricinfo, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত।

মনে রাখার মতো বিষয়: বড় সংগ্রহ মানেই জয় নয়। ওয়েলিংটনে ৫৯৫ রান তুলেও বাংলাদেশ হেরেছিল। আবার রাওয়ালপিন্ডিতে ২০২৪ সালে ৫৬৫ রানের ইনিংস পাকিস্তানের মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের ভিত গড়ে দেয়। কন্ডিশন বুঝতে কোন পিচ কোন দলের জন্য ভালো সেটিও দেখে নিতে পারেন।

most runs in test for bangladesh: পরিসংখ্যান থেকে কী শেখা যায়

প্রথমত, শীর্ষ দশে কারও গড় ৪০ ছুঁতে পারেনি; মুশফিকুরের ৩৯.০৮-ই সর্বোচ্চ। বড় টেস্ট দলের সেরা ব্যাটসম্যানদের গড় সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫-এর মধ্যে থাকে, তাই বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা এখনও উন্নতির জায়গা। দ্বিতীয়ত, মুশফিকুর, মুমিনুল ও তামিম তিনজনই ৫,০০০ রান পেরিয়েছেন, যা এক দশক আগে কল্পনাও করা যেত না।

তৃতীয়ত, নতুন প্রজন্ম দ্রুত এগোচ্ছে। শান্তর ৯টি সেঞ্চুরি এসেছে ৮৪ ইনিংসে, আর লিটন ইতিমধ্যে হাবিবুল বাশারকে ছাড়িয়েছেন। দলের সামগ্রিক অবস্থান দেখতে আইসিসি পুরুষ টেস্ট দলের র‍্যাঙ্কিং এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অফিসিয়াল সাইট নিয়মিত দেখা ভালো।

র‍্যাঙ্কিং ও বাংলাদেশের টেস্ট যাত্রা

র‍্যাঙ্কিং কীভাবে হিসাব হয়, সেই ধারণা ফুটবলেও প্রায় একই রকম; ফিফা র‍্যাঙ্কিং কীভাবে হিসাব হয় পড়লে ক্রিকেট র‍্যাঙ্কিংয়ের যুক্তিও সহজে বোঝা যায়। বাংলাদেশের টেস্ট যাত্রার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ধারাবাহিক বিবরণ পাবেন বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে এই লেখায়।

পরিসংখ্যান পড়ার সময় যা মাথায় রাখবেন

  • গড় হিসাব হয় মোট রানকে আউট হওয়ার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে; অপরাজিত ইনিংস গড় বাড়ায়।
  • বিভিন্ন সাইটে সংখ্যা আলাদা দেখা যায়, কারণ সব সাইট একসঙ্গে হালনাগাদ হয় না। এই লেখায় ESPNcricinfo-কে মানদণ্ড ধরা হয়েছে।
  • বাংলা উইকিপিডিয়ার কিছু তালিকায় তামিমকে এখনও এক নম্বরে দেখায়, যা পুরোনো তথ্য।
  • ম্যাচ সংখ্যা বেশি হলে মোট রান বাড়ে, তাই তুলনার সময় গড় ও প্রতি ইনিংসে সেঞ্চুরির হারও দেখুন।

মাঠের ঘটনা আর আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বুঝতে নিয়মের জ্ঞান জরুরি। যেমন হ্যাটট্রিক কখন গণ্য হয় তার নিয়ম ও বিরল উদাহরণ পড়লে স্কোরকার্ডের অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলে। অন্য খেলায় নিয়ম কতটা সূক্ষ্ম হতে পারে, তার উদাহরণ ফুটবলের পেনাল্টি কিকের নিয়ম।

বড় রান তোলা কেন কঠিন

সম্প্রতি টেস্টে ব্যাটিং ধসের একটি আলোচিত উদাহরণ নিয়ে লিখেছি পাকিস্তানের ১৩৩ রানে অলআউট হওয়ার বিশ্লেষণে, যা দেখায় বড় রান তোলা কেন এত কঠিন। আরও ক্রিকেট ও সাইটের অন্যান্য লেখা পাবেন Agents Notout হোমপেজে।

উপসংহার

বাংলাদেশের টেস্টে সর্বোচ্চ রান কার, এর উত্তর ২৬ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত মুশফিকুর রহিম, ৬,৯৫৭ রান নিয়ে। মুমিনুল হক আগস্টে তামিমকে টপকে দ্বিতীয় হয়েছেন, আর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২১৯* ও দলীয় সর্বোচ্চ ৬৩৮ এখনও অক্ষত। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর আমরা তালিকাটি হালনাগাদ করব। সাইটের যাচাই করা যোগাযোগের তালিকা দেখতে চাইলে Agents Notout-এর মাস্টার এজেন্ট লিস্ট পাতাটি দেখুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বাংলাদেশের টেস্টে সর্বোচ্চ রান কার?

মুশফিকুর রহিমের। ২৬ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত তিনি ১০৬ টেস্টে ৬,৯৫৭ রান করেছেন, গড় ৩৯.০৮ এবং সেঞ্চুরি ১৪টি।

টেস্টে বাংলাদেশের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোর কত?

অপরাজিত ২১৯, মুশফিকুর রহিমের। ২০১৮ সালে মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনি এই ইনিংস খেলেন।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দলীয় সর্বোচ্চ রান কত?

৬৩৮ রান, ২০১৩ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ম্যাচটি ড্র হয়েছিল।

মুমিনুল হক কবে তামিম ইকবালকে ছাড়িয়ে যান?

১৩ আগস্ট ২০২৬, ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে। এখন তার রান ৫,২৬৫।

বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি কার?

মুশফিকুর রহিমের, ১৪টি। এরপর মুমিনুল হক ১৩টি এবং তামিম ইকবাল ১০টি।